আমি একাত্তরের প্রজন্ম নই, আমি একাত্তরের পরবর্তী প্রজন্ম। আমি বাংলাদেশে বিশ্বাসী। আমি একাত্তরে বিশ্বাসী। আমি চাই একাত্তরে যারা যুদ্ধাপরাধ করেছে তাদের বিচার হোক। কিন্তু যখন আমার বিবেক আমাকে প্রশ্ন করে, কে করবে এই বিচার?? আমি বলে উঠি কেন মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি!!! তখনি বিবেক অট্রহাসিতে ফেটে পড়ে… ওর হাসি যেন থামতেই চায় না, মনে হয় যেন পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে হস্যকর কৌতুকটি সে শুনেছে মাত্র। নাহ সে থামছেই না, হেসেই চলেছে। খানিক পর অনেক কষ্টে হাসি চেপে বলে কারা স্বপক্ষের শক্তি? যারা এই মুক্তিযুদ্ধকে করেছে সর্বাধিক বিতর্কিত তারা? ক্ষমতায় গিয়েই যারা লুটপাটে ও ধংশযজ্ঞে মেতে উঠে তারা?? ইতিহাস কে যারা নিজের বাপের দেয়া সম্পত্তি মনে করে যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে পরিবর্তন করে তারা??
আমি বজ্রকন্ঠে হুংকার ছেড়ে বলি, তাই বলে কি যারা আমার তিরিশ লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের হানি করেছে তাদের বিচার হবে না? প্রতিউত্তরে সে বলে উঠে অবশ্যই হতে হবে, হতেই হবে কিন্তু তিরিশ লক্ষ মা-বোনের ইজ্জত লুন্ঠন করতে কি শুধু এই হাতেগোনা কয়জন লোকই দায়ী? বাকীরা কোথায় তাদেরকে কে খুজে বের করবে?? তাদের কি বিচার হওয়া লাগবে না?? আমি আর ভাবতে পারি না।
কোথা হতে যেন কেউ বলে উঠে…… প্রতিহিংসা কখনও ভালো ফল বয়ে আনে না, বরং আগুনের লেলিহান শিখায় ঘী ঢেলে দিয়ে আগুন কে করে শতগুন প্রজ্জলিত। হিরোশিমা-নাগাসাকীর দিকে তাকাও একদিন তারা যাদের অমানবীক আক্রমনে নির্বংশ হয়ে গিয়েছিল তাদের সাথেই ওরা কাধে কাধ মিলিয়ে কাজ করে যাচ্ছে, তাতে কি তাদের জাত-কুল চলে গেছে??? না বরং তারা বিশ্ব ভ্রম্মান্ডে মাথা উচু করে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব কে ঘোষনা করছে। না আমি তোমাদেরকে বলছি না আপোষ করতে, আমি বলছি না ভুলে যেতে সব কিছু। কিন্তু কেন প্রতিহিংসা বশত লোকদেখান প্রহশনের এই বিচার নাটক মঞ্চস্থ করে শত সহস্র অপরাধীকে আড়াল করা?? কেন ইতিহাস কে বিকৃত করা?? কেন রাজনৈতিক স্বার্থহাসীলের নিমিত্তে মুক্তিযুদ্ধের পবিত্রতাকে কলংকিত করা?? একি নিজের হাতে নিজের গালে জুতাপেটা করার শামিল নয়???
অথপর কানে কানে সেই কন্ঠ ফিস ফিস করে বলে যায় আরও কিছু কথা, স্বাধীনতার নয় মাস দেশের জন্য যুদ্ধ করার কারনে যদি পরবর্তিতে সাত খুন মাফ হয়ে যায় তাহলে আমি সুদুর অতীতে সেই মুক্তি যুদ্ধে ফিরে যেতে চাই, আমি মুক্তি যুদ্ধে অংশ নিতে চাই…এবং আবার তোমাদের যুগে এসে পুরো দেশটা বিক্রি করে নিজের উদর পুর্তি করতে চাই।কি রাজি???? জনসমুদ্রে গরম গরম বক্তব্য দিয়ে, জনগনকে স্বাধীনতার জন্য পিপাসাক্ত করার বিনিময়ে যদি একটা দেশ নিজের নামে লিখে নেয়া যায় তাতে মন্দ কি?? স্বাধীনতার জন্য উন্মোখ জনতাকে যুদ্ধময়দানে ফেলে কোন এক রাতের আধারে নিরাপত্তার গ্যরান্টি পেয়ে নিজেকে প্রতিপক্ষের নিকট সপে দেয়ার বিনিময়ে যদি জাতির জনক হওয়া যায় তাহলে আমিও জাতির জনক হতে চাই।
সামুতে এই লেখাটা পাবেন এই ঠিকানায় http://www.somewhereinblog.net/blog/shamim_uia/29189654#c4749732 এখানে কিছু মজাদার মন্তব্য আছে যা আপনার ভালো লাগবে বলে আমি আশাবাদি।
Thursday, July 01, 2010
Tuesday, June 29, 2010
এক গ্রুপের হাহুতাশ আরেক গ্রুপের উল্লাস= ফলাফল আইক্কা ওয়ালা বাঁশ
নিজামী, মুজাহিদ, সাইদী দের গ্রেপ্তার করার পর ব্লগের চেহারা যা তা এক বাক্যে বলতে গেলে আমার পোস্টের নামের প্রথমাংশই মনে হয় যথেষ্ঠ। আর বাকীটুকুর মাজেজা কুন হালায় বুঝবো আবার কুনো হালায় বুঝবো না আবার কুনো কুনো হালায় না বুইঝাই ফাল পারবো।
গোড়া থেকে শুরু করে দেখি
যে কারনে গ্রেফতারঃ
মুল কারন এই বাক্য খানা- "মহানবী যখন ইসলামের দাওয়াত দিয়েছেন, তখন তার ওপর অত্যাচার করা হয়েছে, মিথ্যাচার করা হয়েছে, ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। তেমনি নিজামী সাহেবের বিরুদ্ধেও মিথ্যাচার করা হচ্ছে।"
এই বাক্যের ব্যখ্যা আপনাদের যার যার হাতে তুলে দিলাম। যে যেভাবে দেখতে চান সে সেভাবে ইচ্ছে মত এর ব্যক্ষা করতে পারবেন। নিরপেক্ষ বা পক্ষ বলে পানি ঘোলা করার ইচ্ছা আমার নেই। কারন অনেক আবোল তাবোল বকে সব শেষে প্রত্যেকেই একটা না একটা পক্ষেরই লোক। তাই বলবো you will see exactly what you want to see.
আসুন আরেকটা বাক্য নিয়ে কথা বলা যাক,
বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ড. এটিএম শামসুল হুদা গত ১৬ এপ্রিল একটি বিদেশী সংবাদ মাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাতকারে সিইসি বলেছেন, ''সেনাবাহিনী ফেরেশতা নয় যে তারা এলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। সেনাবাহিনী কেন খোদ আল্লাহতায়ালা নেমে আসলেও কিছু করতে পারবে না।''
উপরের বাক্যটির সাথে নীচের বাক্যটির তুলনা করুন। রেজাল্ট আমার জানার কোন দরকার নেই। ওটা আপনার হাতেই থাক। কারন আবারও আপনি যেটাকে মহা অপরাধ বলে দেখতে চান সেটাই ঘুরে ফিরে আপনার সিধ্যান্তে ফুটে উঠবে।
এবার আসুন পরবর্তী বাক্যটি নিয়ে কথা বলা যাক
এইচ টি ইমাম এক সেমিনারে বলেছিলেন “বাংলাদেশে ইসলাম টিকিয়ে রেখেছে আওয়ামী লীগ আর এই ইসলামের প্রবর্তক হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান”
আমার প্রশ্নের উত্তর দিন বাংলাদেশে ইসলাম আওয়ামী লীগ, বিম্পি, জামাত যেই টিকাক আমার কোন সমস্যা নাই কিন্তু ইসলামের প্রবর্তক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানটা আবার কেডা?
এবার একজন নতুন খলিফাতুল মুসলিমিনের কথায় আসা যাকঃ
জনৈক লেখক হায়দার আলি খান একটা বই লিখেছেন। বইয়ের শিরোনাম বংবন্ধু খলিফাতুল মোমেনিন। বইটির মোড়ক উম্মোচন করেন আইন মন্ত্রী কামরুল ইসলাম। বইয়ে বলা হয় বংবন্ধু মুসলিম দুনিয়ার নেতা ছিলেন। তিনি খাটি মুসলিম ছিলেন । ইসলামের জন্য তিনি কাজ করেছেন। ইত্যাদী ইত্যাদী।
উপরের কথাগুলোর উপর ভিত্তি করে কিছু কথা বলতে চাই। আমি না হয় আবাল তাই বুঝতে পারি না কোনটা গুরুতর অপরাধ বা শিরক অথবা ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত হানার জন্য অভিযুক্ত কিন্তু ব্লগের শত শত জ্ঞানীরা কি আমার মত আবাল হইয়া গেলেন?
এখন এর সাথে রাজাকার, আল্বদর, যুদ্ধাপরাধীর বিচার কথাগুলো জুড়ে দিলেই হল, সকল বাক্য উক্তি ও প্রকাশনা গুলো আড়ালে পড়ে যায় আর নিজামীর কথা আগে চলে আসে। ভাল কথা, কি বালের যুদ্ধাপরাধীর বিচার যে আপনারা করবেন তা তো দেখতেই পারতেসি, যেভাবে যুদ্ধাপরাধ মানবতা বিরোধী অপরাধে রুপ নিসে সেভাবে রাজাকার দেশপ্রমিকে রুপ নিবেনা তা কি করে ভাবতে পারেন আপনারা?? যেদিন যুদ্ধাপরাধীর বিচার সুষ্ঠভাবে শেষ করতে পারবেন সেদিন আওয়াজ দিয়েন। চোরেও শুনে ধর্মের কাহিনী আর লীগও করবে যুদ্ধাপরাধীর বিচার ।
আপনারা ফাও পেচাল পারেন আর নন ইস্যু নিয়া রাজনীতি করেন আর অন্যদিকে সাধারন জনগনের আইক্কা ওয়ালা বাঁশ খাইতে থাকুক।
আপনাদের একজনও কি এই স্বপ্নটা দেখার সাহস রাখেন যে আমরা সবাই একছাদের নিচে এক পতাকাতলে মিলে দেশটার জন্য কাজ করব? প্রত্যেকেরই কিছু না কিছু ভুল আছে আমরাকি সেগুলো ভুলে এক হতে পারি না? কোন দেশ নিয়ে গর্ব করেন আপনি? এই দেশের রেপুটেশন বহির্বিশ্বে কতটা নীচে খবর রাখেন কিছু? আগে কি আমরা আমাদের দেশের হারানো মান উদ্ধার করার কাজে নিজেদের নিয়োজিত করতে পারি না?
গোড়া থেকে শুরু করে দেখি
যে কারনে গ্রেফতারঃ
মুল কারন এই বাক্য খানা- "মহানবী যখন ইসলামের দাওয়াত দিয়েছেন, তখন তার ওপর অত্যাচার করা হয়েছে, মিথ্যাচার করা হয়েছে, ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। তেমনি নিজামী সাহেবের বিরুদ্ধেও মিথ্যাচার করা হচ্ছে।"
এই বাক্যের ব্যখ্যা আপনাদের যার যার হাতে তুলে দিলাম। যে যেভাবে দেখতে চান সে সেভাবে ইচ্ছে মত এর ব্যক্ষা করতে পারবেন। নিরপেক্ষ বা পক্ষ বলে পানি ঘোলা করার ইচ্ছা আমার নেই। কারন অনেক আবোল তাবোল বকে সব শেষে প্রত্যেকেই একটা না একটা পক্ষেরই লোক। তাই বলবো you will see exactly what you want to see.
আসুন আরেকটা বাক্য নিয়ে কথা বলা যাক,
বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ড. এটিএম শামসুল হুদা গত ১৬ এপ্রিল একটি বিদেশী সংবাদ মাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাতকারে সিইসি বলেছেন, ''সেনাবাহিনী ফেরেশতা নয় যে তারা এলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। সেনাবাহিনী কেন খোদ আল্লাহতায়ালা নেমে আসলেও কিছু করতে পারবে না।''
উপরের বাক্যটির সাথে নীচের বাক্যটির তুলনা করুন। রেজাল্ট আমার জানার কোন দরকার নেই। ওটা আপনার হাতেই থাক। কারন আবারও আপনি যেটাকে মহা অপরাধ বলে দেখতে চান সেটাই ঘুরে ফিরে আপনার সিধ্যান্তে ফুটে উঠবে।
এবার আসুন পরবর্তী বাক্যটি নিয়ে কথা বলা যাক
এইচ টি ইমাম এক সেমিনারে বলেছিলেন “বাংলাদেশে ইসলাম টিকিয়ে রেখেছে আওয়ামী লীগ আর এই ইসলামের প্রবর্তক হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান”
আমার প্রশ্নের উত্তর দিন বাংলাদেশে ইসলাম আওয়ামী লীগ, বিম্পি, জামাত যেই টিকাক আমার কোন সমস্যা নাই কিন্তু ইসলামের প্রবর্তক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানটা আবার কেডা?
এবার একজন নতুন খলিফাতুল মুসলিমিনের কথায় আসা যাকঃ
জনৈক লেখক হায়দার আলি খান একটা বই লিখেছেন। বইয়ের শিরোনাম বংবন্ধু খলিফাতুল মোমেনিন। বইটির মোড়ক উম্মোচন করেন আইন মন্ত্রী কামরুল ইসলাম। বইয়ে বলা হয় বংবন্ধু মুসলিম দুনিয়ার নেতা ছিলেন। তিনি খাটি মুসলিম ছিলেন । ইসলামের জন্য তিনি কাজ করেছেন। ইত্যাদী ইত্যাদী।
উপরের কথাগুলোর উপর ভিত্তি করে কিছু কথা বলতে চাই। আমি না হয় আবাল তাই বুঝতে পারি না কোনটা গুরুতর অপরাধ বা শিরক অথবা ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত হানার জন্য অভিযুক্ত কিন্তু ব্লগের শত শত জ্ঞানীরা কি আমার মত আবাল হইয়া গেলেন?
এখন এর সাথে রাজাকার, আল্বদর, যুদ্ধাপরাধীর বিচার কথাগুলো জুড়ে দিলেই হল, সকল বাক্য উক্তি ও প্রকাশনা গুলো আড়ালে পড়ে যায় আর নিজামীর কথা আগে চলে আসে। ভাল কথা, কি বালের যুদ্ধাপরাধীর বিচার যে আপনারা করবেন তা তো দেখতেই পারতেসি, যেভাবে যুদ্ধাপরাধ মানবতা বিরোধী অপরাধে রুপ নিসে সেভাবে রাজাকার দেশপ্রমিকে রুপ নিবেনা তা কি করে ভাবতে পারেন আপনারা?? যেদিন যুদ্ধাপরাধীর বিচার সুষ্ঠভাবে শেষ করতে পারবেন সেদিন আওয়াজ দিয়েন। চোরেও শুনে ধর্মের কাহিনী আর লীগও করবে যুদ্ধাপরাধীর বিচার ।
আপনারা ফাও পেচাল পারেন আর নন ইস্যু নিয়া রাজনীতি করেন আর অন্যদিকে সাধারন জনগনের আইক্কা ওয়ালা বাঁশ খাইতে থাকুক।
আপনাদের একজনও কি এই স্বপ্নটা দেখার সাহস রাখেন যে আমরা সবাই একছাদের নিচে এক পতাকাতলে মিলে দেশটার জন্য কাজ করব? প্রত্যেকেরই কিছু না কিছু ভুল আছে আমরাকি সেগুলো ভুলে এক হতে পারি না? কোন দেশ নিয়ে গর্ব করেন আপনি? এই দেশের রেপুটেশন বহির্বিশ্বে কতটা নীচে খবর রাখেন কিছু? আগে কি আমরা আমাদের দেশের হারানো মান উদ্ধার করার কাজে নিজেদের নিয়োজিত করতে পারি না?
Subscribe to:
Posts (Atom)