Friday, July 23, 2010
Thursday, July 22, 2010
মা ডাক শুনতে চেয়ে মৃত্যু!
রোগীর মৃত্যু ভাঙচুর
রোগী মৃত্যুর ঘটনায় ঢাকায় একটি হাসপাতাল ও একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভাঙচুর৷ বিডিনিউজ টোয়েন্টি ফোর ডটকম দিচ্ছে এই খবর৷ শিরোনাম, ‘‘ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতালে ভাঙচুর''৷ বিয়ের আট বছর পার হয়ে গেলেও সন্তান হচ্ছিল না ফেরদৌসীর৷ তাই, মা হওয়ার আশায় নিয়মিত চিকিৎসার অংশ হিসেবে বুধবার হাসপাতালে যান তিনি৷ কিন্তু সেখান থেকে ফেরদৌসীকে ফিরতে হলো লাশ হয়ে৷ এদিকে, এই ঘটনায় ভাঙচুরের সঙ্গে একজন রাজনৈতিক নেতাও জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে৷ তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, চিকিৎসায় কোন ভুল ছিলনা৷
ভুয়া চিকিৎসক আটক
একইধরণের আরেকটি খবর দিয়েছে দৈনিক সমকাল৷ শিরোনাম, ‘‘হাসপাতাল নয় কসাইখানা!'' ঢাকার মোহাম্মদপুরে চিকিৎসা জ্ঞান না থাকা সত্ত্বেও দুই ব্যক্তি একটি হাসপাতাল খুলে বসেছিলেন৷ এমনকি তারাই রোগীকে অপারেশন করতেন, দিতেন অ্যানেসথেশিয়া৷ আর তাতে রোগী মারা গেলে, তার মুখে অক্সিজেন মাস্ক লাগিয়ে দেয়া হতো৷ এরপর পাঠানো হতো অন্য হাসপাতালে৷ ভয়ংকর এই দুই ভণ্ড ডাক্তারকে আটক করেছে ব়্যাব৷ তাৎক্ষনিকভাবে তাদের শাস্তিও দেয়া হয়েছে৷ তবে তা পর্যাপ্ত নয় বলে জানাচ্ছে সমকাল৷
সংবিধান সংশোধন
ঢাকার অধিকাংশ দৈনিকে জায়গা পেয়েছে এই খবর৷ ইত্তেফাকের শিরোনাম, ‘‘অবৈধ ক্ষমতা দখল ঠেকাতেই সংবিধান সংশোধন: প্রধানমন্ত্রী''৷ সংবিধান সংশোধনের জন্য ইতিমধ্যে ১৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে৷ বুধবার সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই কমিটি গঠনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন৷
ছিনতাইকারী ঠেকাতে তিন তরুণ
দৈনিক কালেরকণ্ঠ দিয়েছে এই খবর৷ শিরোনাম, ‘‘অভিনন্দন! সাহসী তিন তরুণ''৷ পত্রিকাটির কথায়, চট্টগ্রামের তিন তরুণ বাহাদুর আলম, নূর হোসেন রুবেল এবং মিসবাউল ইসলাম জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মঙ্গলবার রাতে তিন ছিনতাইকারীকে ধরে ফেলে৷ চট্টগ্রাম পুলিশ বুধবার এই তিন তরুণকে সাহসী উদ্যোগের জন্য পুরস্কার দিয়েছে৷
http://www.dw-world.de/dw/article/0,,5824519,00.html?maca=ben-standard_feed-ben-615-xml
Wednesday, July 21, 2010
পৃথিবীর সবাই সামনের দিকে আগানোর চেষ্টা করে, আর আমরা প্রাণপণে পিছাই
Monday, July 19, 2010
‘খাম্বা রাজনীতি’ থেকে ‘পাইপলাইন রাজনীতি’
গ্যাস নেই অথচ পাইপ লাইন
‘‘গ্যাস নেই, বসছে পাইপ লাইন'' - দৈনিক কালেরকন্ঠের শিরোনাম এটি৷ পত্রিকাটির কথায়, বিগত চারদলীয় জোট সরকার আমলে যেমন চলেছিল ‘খাম্বা রাজনীতি', এখন তেমনি চলেছে ‘পাইপলাইন রাজনীতি'৷ দেশে পর্যাপ্ত গ্যাস না থাকা সত্ত্বেও গ্যাস সরবরাহের জন্য অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে৷ এজন্য চার হাজার ৫৭ কোটি টাকা ব্যয়ে দুটি প্রকল্প চলছে৷
টিপাইমুখ
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম লিখেছে, ‘‘বাংলাদেশকে না জানিয়ে টিপাইমুখ নিয়ে এগুবে না ভারত''৷ ভারতের পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ভিনসেন্ট এইচ পালা জানিয়েছেন এই তথ্য৷
ঢাকায় পুরনো যানবাহন উচ্ছেদ অভিযান
দৈনিক সমকালের শিরোনাম, ‘‘এত দুর্ভোগ''৷ পত্রিকাটির আশঙ্কা পুরনো যানবাহন উচ্ছেদের কারণে ৩০ হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়বে৷ একইসঙ্গে বিকল্প ব্যবস্থা না করেই পুরনো যানবাহন উচ্ছেদ অভিযান নাগরিক জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে৷ রবিবার ঢাকায় এই অভিযান চলার সময় অফিসগামী সাধারণ মানুষকে ঘন্টার পর ঘন্টা রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়৷ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার বাড়তি বাস নামালেও তা পর্যাপ্ত ছিলনা৷ কেননা গণপরিবহন বিশেষজ্ঞদের মতে, ৪ হাজার পুরনো বাসের পরিবর্তে ৩৮টি নতুন বাস, যাত্রী হয়রানি কমাতে কোন ভূমিকা রাখতে পারছে না৷
পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু নিয়ে তদন্ত
দৈনিক প্রথম আলো লিখেছে, ‘‘পুলিশের হেফাজতে তিন মৃত্যু, তদন্ত কমিটি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়''৷ হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী এই কমিটিতে পুলিশের কোন সদস্যকে রাখা হয়নি৷ কমিটি আগামী এক মাসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে৷
রোহিঙ্গাদের ভোটার হবার চেষ্টা
প্রায় অর্ধ লাখ রোহিঙ্গার ভোটার হবার চেষ্টা ভেস্তে গেছে৷ নির্বাচন কমিশন তথ্য পুনঃযাচাইয়ের সময় তাদের ভোটার হবার আবেদন বাতিল করে দেয়৷ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জানিয়েছে এই খবর৷
http://www.dw-world.de/dw/article/0,,5814252,00.html?maca=ben-standard_feed-ben-615-xml
উলফা নেতা গ্রেফতার প্রসঙ্গে!!
পড়ুন...
৭ জুন (রেডিও তেহরান): বাংলাদেশে ভারতের অসম রাজ্যের গেরিলা সংগঠন উলফার একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভারতের জি নিউজ বাংলাদেশের একটি সংবাদ সংস্থার বরাত দিয়ে আজ এই খবর পরিবেশন করেছে। খবরে বলা হয়েছে, রঞ্জন চৌধুরী ওরফে মাসুদ রঞ্জন চৌধুরী নামের উলফার এই সদস্যকে শেরপুর জেলার রুপা নার্সিং হোম থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি রুপা নার্সিং হোমে চিকিৎসাধীন ছিলেন বলে খবরে বলা হয়েছে। তবে কী ধরণের অসুখের জন্য তার চিকিৎসা চলছিলো খবরে তা উল্লেখ করা হয়নি। আটক রঞ্জন চৌধুরীকে ভারতের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এদিকে ভারত সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতি উপজেলার লতাকুড়া গ্রাম থেকে টেলিফোনে রঞ্জন চৌধুরীর স্ত্রী সাবিত্রী সাংমা তার গ্রেফতার হওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।
http://bangla.irib.ir/index.php/2010-04-21-08-29-09/2010-04-21-08-29-54/18865-2010-06-07-09-48-09.html
Sunday, July 18, 2010
পুরাতন গাড়ীর চালকরা সাবধান
প্রবাস জীবনের সময়গুলো একটু ব্যতিক্রম; ব্যস্ততা, আর ব্যস্ততা, ব্যস্ততার যেন কোন শেষ নেই। সেই সাথে আমরা যারা পরিবার নিয়ে আছি, তাদের পরিবারকে সময় দেয়ার, সময় কোথায়? তাই মাসে একটা Family Gathering যেন আমদের কাছে সোনার হরিন, কোনভাবে মিস্ করার সুযোগ নেই। যে যেভাবে পারে, পঙ্গপালের মত এসে জড় হয় Family Gathering। প্রোগ্রাম উত্তর গল্পই যেন মূল আকর্ষন। ভরসা কোম্পানীর এক ভাই ভরসা করতে না পেরে আরেক ভাইকে হত্যা করলেও, ভরসা আমাদের থেকে বিদায় নেয়নি। আমরা পুরান গাড়ীর উপর ভরসা করে, গল্প চালিয়ে যাই। আর আমরা যারা পুরান গাড়ী চালাই এবং Family নিয়ে বিদেশে থাকি তাদের জ্বালাটা একটু বেশি। যাই-হোক এবারের প্রোগ্রামও জমলো ভালই।
প্রোগ্রাম শেষে দলবেঁধে আমরা রওনা হলাম রাত ১১টায়। কারন মালেয়শীয় যারা প্রাইভেট গাড়ী চালায়, তারা ভাল করেই জানে, রাস্তা কি জিনিস এবং কত প্রকার। একবার ভুল হলেই ঘবর আছে, তাই দলবেধেঁ যাত্রা। যাই-হোক, আমরা চলছি এবং প্রত্যেকই তার কাছা-কাছি পরিচিত পথ থেকে বিদায় নিয়েছে। এখন আমরা দুই গাড়ী আর আমাদের উদ্দেশ্য KL- Kajang, সামনে আমি চালাছি আমার বন্ধু বাশারের গাড়ী আর পেছনে সাকিব চালাচ্ছে আমার গাড়ী। আমাদের গতি প্র্রায় ৮০ কি.মি.। হটাৎ পিছনের গাড়ী থেকে আমাকে ফোন, ‘ভাই আপনার গাড়ীতে সমস্য, মনে হচ্ছে তেল শেষ। তেল শেষ হবার কথা নয় তাই সাহস করে রাস্তার পাশে গাড়ী থামালাম। বুঝতে পারলাম গাড়ীর ব্যাটারী সমস্যা, রাত এখন ১২.৩০টা। রাস্তার একপাশ পাহাড় আর নিরিবিলি আর অন্য পাশে দূর্তগামী যানবাহন। আমাদের সাথে আমাদের পরিবার, গা শীম শীম করাটাই স্বাভবিক। কিন্তু আমরা বিচলীত হলাম না, বরং আমরা একটা টীম হয়ে গেলাম। আমাদের কেউ গাড়ী start এর ব্যর্থ চেষ্টা করে চলল, কেউ দূর্তগামী যানবাহনগুলোকে সংকেত দিয়ে চলল, ভাবীরা বাচ্ছাগুলোকে সামলাচ্ছে।
শুরু হল ফোটা ফোটা বৃষ্টি, এবার বাচ্ছাগুলো ভিজবে। এবার আমরা দুইগ্রুপ হয়ে গেলাম, আমার দায়িত্ব হল বাশারের গাড়ীতে করে ভাবীদের বাসায় পৌঁচ্ছে দিয়ে দ্রুত ফিরে আসা আর বাকীগ্রুপ চেষ্টা চালাবে মেকানিক জোগাড়ের জন্য। Kajang যখন পৌঁছালাম, তখন রাত প্রায় ২টা সেই সাথে এই গাড়ীটাতেও কেমন যেন টায়ার পুড়া গন্ধ তাই সাহস হলোনা এই গাড়ী নিয়ে ফিরে যেতে। আমার এক বন্ধুকে ফোন করে তার গাড়ী নিয়ে বাকী গ্রুপর কাছে পৌছলাম রাত ৩টার দিকে। এতক্ষনে তারা আমার গাড়ীটা চালু করে ফেলেছে এক ট্যাক্সী ড্রাইভারের সাহায্যে। মুরব্বীর (লিংকন ভাই) পরামর্শে আমি আর দাঁড়ালাম না, আমার বন্ধুর গাড়ীটা সাকিবের কাছে রেখে আমি আর আমিন আমার গাড়ী নিয়ে রওনা হলাম। কোনরকম ইনটান হাইওয়ে থেকে এসে পরলাম Plus হাইওয়েতে। কারন আমার বিশ্বাস Plus হাইওয়েতে উঠতে পারলেই সমাধান, হলও তাই। টিকেটে দেওয়া হটলাইন নাম্বারে কল করে মেকার পেলাম।
মেকার গাড়ী ঠিক করছে আর আমি মনে মনে ভাবছি, এই ঘটনার নাটেরগুরু কে??? ভেবে যা পেলাম তা কষ্ট হচ্ছে লিখতে, তবুও সত্য আমার গোপন করার আধিকার নেই। আর এহতেছাব করার এটাই সঠিক সময়, যেহেতু পরকালই তো আমাদের মূল্য লক্ষ্য। আসলে পুরান গাড়ী, একটু বেশী যত্ন করতে হয়। পানি, ইন্জিন ওয়েল, টাইম বেল্ট এবং আরও কিছু বিষয সবসময় খেয়াল রাখতে হয়। আমি যে এবিষয়গুলো উপেক্ষা করে চলি তাও না। তাহলে বিষয়টা কি? বিষয়টা হচ্ছে আমার গাড়ীটা বেশ কিছুদিন ইন্জিনে শব্দ হচ্ছে, আমি গাড়ীটা নিয়ে কয়েকবার দেখিয়েছি গ্যারেজে। তারা আমার গাড়ীটা চেক করেছে, কিন্তু সমাধান হয়নি। আমার টাইমিং বেল্টে সমস্যা ছিল, যা আমার জানা ছিলনা। সহজেই বুঝতে পারছেন, এই ঘটনার নাটেরগুরু হচ্ছি আমি নিজে। সমস্যাযুক্ত গাড়ী নিয়ে, এত দূরের পথ যাওয়া ঠিক হয়নি। এদিকে আমাদের সঙ্গীরা আমাদের জন্য কাজং-এ এসে আপেক্ষা করতে লাগলো দোকানে বসে, বাশারের শরীরে জ্বর তবুও সে বসে থাকবে। কিন্ত আমি বুঝতে পারছিলাম আমাদের দেরী হবে, তাই ফোনে অনেক অনুরোধ করে রাত প্রায় ৫টায় তাদের বাসায় পাঠাতে সক্ষম হলাম। অনেক কষ্ট হল, কিন্তু একটা চমৎকার বিষয়ও প্রকাশ হল এই প্রবাস জীবনে যা এতদিন এত প্রকটভাবে আর কখনও উপভোগ করিনি। তা হচ্ছে উখয়া (Brotherhood)। একটু পরেপরে ফোন আর এক একজনের অনুভুতি আমাকে শুধু অবাক করেনি বরং দিয়েছে মিষ্টি অনুভুতি। হয়তো একদিন মালেয়শীয়াতে থাকবো না। হয়তো একদিন, এক এক জন এক এক জায়গাতে থাকবো, কিন্তু এ অনুভুতি ভুলে যাবার মত নয়। আমার ভাবনায় বিরতী ঘটল যখন গাড়ীর মেকার আমার সাথী আমিনুলকে বলে ওঠলে ‘Now your car OK lah’ । ঘড়ির কাটাতে তখন প্রায় ৫.৩০টা, আমরা আমার গাড়ী নিয়ে যাত্র শুরু করলাম। নীয়ন আলোর ফাঁকে প্রভাতের উদয় উপভোগ করতে করতে আমরা প্রায় ৬টার দিকে বাসায় এসে পৌচ্ছলাম।