কন্ঠমেলা
Friday, December 06, 2024
Tuesday, July 27, 2010
‘আন্তর্জাতিক’ অপরাধ ট্রাইবুনাল: আন্ধা ছাওয়ালের নাম পদ্মলোচন!!মাইরি বলচি দাদার বলিহারি বুদ্দি
Friday, July 23, 2010
Thursday, July 22, 2010
মা ডাক শুনতে চেয়ে মৃত্যু!
রোগীর মৃত্যু ভাঙচুর
রোগী মৃত্যুর ঘটনায় ঢাকায় একটি হাসপাতাল ও একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভাঙচুর৷ বিডিনিউজ টোয়েন্টি ফোর ডটকম দিচ্ছে এই খবর৷ শিরোনাম, ‘‘ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতালে ভাঙচুর''৷ বিয়ের আট বছর পার হয়ে গেলেও সন্তান হচ্ছিল না ফেরদৌসীর৷ তাই, মা হওয়ার আশায় নিয়মিত চিকিৎসার অংশ হিসেবে বুধবার হাসপাতালে যান তিনি৷ কিন্তু সেখান থেকে ফেরদৌসীকে ফিরতে হলো লাশ হয়ে৷ এদিকে, এই ঘটনায় ভাঙচুরের সঙ্গে একজন রাজনৈতিক নেতাও জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে৷ তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, চিকিৎসায় কোন ভুল ছিলনা৷
ভুয়া চিকিৎসক আটক
একইধরণের আরেকটি খবর দিয়েছে দৈনিক সমকাল৷ শিরোনাম, ‘‘হাসপাতাল নয় কসাইখানা!'' ঢাকার মোহাম্মদপুরে চিকিৎসা জ্ঞান না থাকা সত্ত্বেও দুই ব্যক্তি একটি হাসপাতাল খুলে বসেছিলেন৷ এমনকি তারাই রোগীকে অপারেশন করতেন, দিতেন অ্যানেসথেশিয়া৷ আর তাতে রোগী মারা গেলে, তার মুখে অক্সিজেন মাস্ক লাগিয়ে দেয়া হতো৷ এরপর পাঠানো হতো অন্য হাসপাতালে৷ ভয়ংকর এই দুই ভণ্ড ডাক্তারকে আটক করেছে ব়্যাব৷ তাৎক্ষনিকভাবে তাদের শাস্তিও দেয়া হয়েছে৷ তবে তা পর্যাপ্ত নয় বলে জানাচ্ছে সমকাল৷
সংবিধান সংশোধন
ঢাকার অধিকাংশ দৈনিকে জায়গা পেয়েছে এই খবর৷ ইত্তেফাকের শিরোনাম, ‘‘অবৈধ ক্ষমতা দখল ঠেকাতেই সংবিধান সংশোধন: প্রধানমন্ত্রী''৷ সংবিধান সংশোধনের জন্য ইতিমধ্যে ১৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে৷ বুধবার সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই কমিটি গঠনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন৷
ছিনতাইকারী ঠেকাতে তিন তরুণ
দৈনিক কালেরকণ্ঠ দিয়েছে এই খবর৷ শিরোনাম, ‘‘অভিনন্দন! সাহসী তিন তরুণ''৷ পত্রিকাটির কথায়, চট্টগ্রামের তিন তরুণ বাহাদুর আলম, নূর হোসেন রুবেল এবং মিসবাউল ইসলাম জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মঙ্গলবার রাতে তিন ছিনতাইকারীকে ধরে ফেলে৷ চট্টগ্রাম পুলিশ বুধবার এই তিন তরুণকে সাহসী উদ্যোগের জন্য পুরস্কার দিয়েছে৷
http://www.dw-world.de/dw/article/0,,5824519,00.html?maca=ben-standard_feed-ben-615-xml
Wednesday, July 21, 2010
পৃথিবীর সবাই সামনের দিকে আগানোর চেষ্টা করে, আর আমরা প্রাণপণে পিছাই
Monday, July 19, 2010
‘খাম্বা রাজনীতি’ থেকে ‘পাইপলাইন রাজনীতি’
গ্যাস নেই অথচ পাইপ লাইন
‘‘গ্যাস নেই, বসছে পাইপ লাইন'' - দৈনিক কালেরকন্ঠের শিরোনাম এটি৷ পত্রিকাটির কথায়, বিগত চারদলীয় জোট সরকার আমলে যেমন চলেছিল ‘খাম্বা রাজনীতি', এখন তেমনি চলেছে ‘পাইপলাইন রাজনীতি'৷ দেশে পর্যাপ্ত গ্যাস না থাকা সত্ত্বেও গ্যাস সরবরাহের জন্য অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে৷ এজন্য চার হাজার ৫৭ কোটি টাকা ব্যয়ে দুটি প্রকল্প চলছে৷
টিপাইমুখ
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম লিখেছে, ‘‘বাংলাদেশকে না জানিয়ে টিপাইমুখ নিয়ে এগুবে না ভারত''৷ ভারতের পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ভিনসেন্ট এইচ পালা জানিয়েছেন এই তথ্য৷
ঢাকায় পুরনো যানবাহন উচ্ছেদ অভিযান
দৈনিক সমকালের শিরোনাম, ‘‘এত দুর্ভোগ''৷ পত্রিকাটির আশঙ্কা পুরনো যানবাহন উচ্ছেদের কারণে ৩০ হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়বে৷ একইসঙ্গে বিকল্প ব্যবস্থা না করেই পুরনো যানবাহন উচ্ছেদ অভিযান নাগরিক জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে৷ রবিবার ঢাকায় এই অভিযান চলার সময় অফিসগামী সাধারণ মানুষকে ঘন্টার পর ঘন্টা রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়৷ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার বাড়তি বাস নামালেও তা পর্যাপ্ত ছিলনা৷ কেননা গণপরিবহন বিশেষজ্ঞদের মতে, ৪ হাজার পুরনো বাসের পরিবর্তে ৩৮টি নতুন বাস, যাত্রী হয়রানি কমাতে কোন ভূমিকা রাখতে পারছে না৷
পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু নিয়ে তদন্ত
দৈনিক প্রথম আলো লিখেছে, ‘‘পুলিশের হেফাজতে তিন মৃত্যু, তদন্ত কমিটি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়''৷ হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী এই কমিটিতে পুলিশের কোন সদস্যকে রাখা হয়নি৷ কমিটি আগামী এক মাসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে৷
রোহিঙ্গাদের ভোটার হবার চেষ্টা
প্রায় অর্ধ লাখ রোহিঙ্গার ভোটার হবার চেষ্টা ভেস্তে গেছে৷ নির্বাচন কমিশন তথ্য পুনঃযাচাইয়ের সময় তাদের ভোটার হবার আবেদন বাতিল করে দেয়৷ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জানিয়েছে এই খবর৷
http://www.dw-world.de/dw/article/0,,5814252,00.html?maca=ben-standard_feed-ben-615-xml
উলফা নেতা গ্রেফতার প্রসঙ্গে!!
পড়ুন...
৭ জুন (রেডিও তেহরান): বাংলাদেশে ভারতের অসম রাজ্যের গেরিলা সংগঠন উলফার একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভারতের জি নিউজ বাংলাদেশের একটি সংবাদ সংস্থার বরাত দিয়ে আজ এই খবর পরিবেশন করেছে। খবরে বলা হয়েছে, রঞ্জন চৌধুরী ওরফে মাসুদ রঞ্জন চৌধুরী নামের উলফার এই সদস্যকে শেরপুর জেলার রুপা নার্সিং হোম থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি রুপা নার্সিং হোমে চিকিৎসাধীন ছিলেন বলে খবরে বলা হয়েছে। তবে কী ধরণের অসুখের জন্য তার চিকিৎসা চলছিলো খবরে তা উল্লেখ করা হয়নি। আটক রঞ্জন চৌধুরীকে ভারতের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এদিকে ভারত সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতি উপজেলার লতাকুড়া গ্রাম থেকে টেলিফোনে রঞ্জন চৌধুরীর স্ত্রী সাবিত্রী সাংমা তার গ্রেফতার হওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।
http://bangla.irib.ir/index.php/2010-04-21-08-29-09/2010-04-21-08-29-54/18865-2010-06-07-09-48-09.html
Sunday, July 18, 2010
পুরাতন গাড়ীর চালকরা সাবধান
প্রবাস জীবনের সময়গুলো একটু ব্যতিক্রম; ব্যস্ততা, আর ব্যস্ততা, ব্যস্ততার যেন কোন শেষ নেই। সেই সাথে আমরা যারা পরিবার নিয়ে আছি, তাদের পরিবারকে সময় দেয়ার, সময় কোথায়? তাই মাসে একটা Family Gathering যেন আমদের কাছে সোনার হরিন, কোনভাবে মিস্ করার সুযোগ নেই। যে যেভাবে পারে, পঙ্গপালের মত এসে জড় হয় Family Gathering। প্রোগ্রাম উত্তর গল্পই যেন মূল আকর্ষন। ভরসা কোম্পানীর এক ভাই ভরসা করতে না পেরে আরেক ভাইকে হত্যা করলেও, ভরসা আমাদের থেকে বিদায় নেয়নি। আমরা পুরান গাড়ীর উপর ভরসা করে, গল্প চালিয়ে যাই। আর আমরা যারা পুরান গাড়ী চালাই এবং Family নিয়ে বিদেশে থাকি তাদের জ্বালাটা একটু বেশি। যাই-হোক এবারের প্রোগ্রামও জমলো ভালই।
প্রোগ্রাম শেষে দলবেঁধে আমরা রওনা হলাম রাত ১১টায়। কারন মালেয়শীয় যারা প্রাইভেট গাড়ী চালায়, তারা ভাল করেই জানে, রাস্তা কি জিনিস এবং কত প্রকার। একবার ভুল হলেই ঘবর আছে, তাই দলবেধেঁ যাত্রা। যাই-হোক, আমরা চলছি এবং প্রত্যেকই তার কাছা-কাছি পরিচিত পথ থেকে বিদায় নিয়েছে। এখন আমরা দুই গাড়ী আর আমাদের উদ্দেশ্য KL- Kajang, সামনে আমি চালাছি আমার বন্ধু বাশারের গাড়ী আর পেছনে সাকিব চালাচ্ছে আমার গাড়ী। আমাদের গতি প্র্রায় ৮০ কি.মি.। হটাৎ পিছনের গাড়ী থেকে আমাকে ফোন, ‘ভাই আপনার গাড়ীতে সমস্য, মনে হচ্ছে তেল শেষ। তেল শেষ হবার কথা নয় তাই সাহস করে রাস্তার পাশে গাড়ী থামালাম। বুঝতে পারলাম গাড়ীর ব্যাটারী সমস্যা, রাত এখন ১২.৩০টা। রাস্তার একপাশ পাহাড় আর নিরিবিলি আর অন্য পাশে দূর্তগামী যানবাহন। আমাদের সাথে আমাদের পরিবার, গা শীম শীম করাটাই স্বাভবিক। কিন্তু আমরা বিচলীত হলাম না, বরং আমরা একটা টীম হয়ে গেলাম। আমাদের কেউ গাড়ী start এর ব্যর্থ চেষ্টা করে চলল, কেউ দূর্তগামী যানবাহনগুলোকে সংকেত দিয়ে চলল, ভাবীরা বাচ্ছাগুলোকে সামলাচ্ছে।
শুরু হল ফোটা ফোটা বৃষ্টি, এবার বাচ্ছাগুলো ভিজবে। এবার আমরা দুইগ্রুপ হয়ে গেলাম, আমার দায়িত্ব হল বাশারের গাড়ীতে করে ভাবীদের বাসায় পৌঁচ্ছে দিয়ে দ্রুত ফিরে আসা আর বাকীগ্রুপ চেষ্টা চালাবে মেকানিক জোগাড়ের জন্য। Kajang যখন পৌঁছালাম, তখন রাত প্রায় ২টা সেই সাথে এই গাড়ীটাতেও কেমন যেন টায়ার পুড়া গন্ধ তাই সাহস হলোনা এই গাড়ী নিয়ে ফিরে যেতে। আমার এক বন্ধুকে ফোন করে তার গাড়ী নিয়ে বাকী গ্রুপর কাছে পৌছলাম রাত ৩টার দিকে। এতক্ষনে তারা আমার গাড়ীটা চালু করে ফেলেছে এক ট্যাক্সী ড্রাইভারের সাহায্যে। মুরব্বীর (লিংকন ভাই) পরামর্শে আমি আর দাঁড়ালাম না, আমার বন্ধুর গাড়ীটা সাকিবের কাছে রেখে আমি আর আমিন আমার গাড়ী নিয়ে রওনা হলাম। কোনরকম ইনটান হাইওয়ে থেকে এসে পরলাম Plus হাইওয়েতে। কারন আমার বিশ্বাস Plus হাইওয়েতে উঠতে পারলেই সমাধান, হলও তাই। টিকেটে দেওয়া হটলাইন নাম্বারে কল করে মেকার পেলাম।
মেকার গাড়ী ঠিক করছে আর আমি মনে মনে ভাবছি, এই ঘটনার নাটেরগুরু কে??? ভেবে যা পেলাম তা কষ্ট হচ্ছে লিখতে, তবুও সত্য আমার গোপন করার আধিকার নেই। আর এহতেছাব করার এটাই সঠিক সময়, যেহেতু পরকালই তো আমাদের মূল্য লক্ষ্য। আসলে পুরান গাড়ী, একটু বেশী যত্ন করতে হয়। পানি, ইন্জিন ওয়েল, টাইম বেল্ট এবং আরও কিছু বিষয সবসময় খেয়াল রাখতে হয়। আমি যে এবিষয়গুলো উপেক্ষা করে চলি তাও না। তাহলে বিষয়টা কি? বিষয়টা হচ্ছে আমার গাড়ীটা বেশ কিছুদিন ইন্জিনে শব্দ হচ্ছে, আমি গাড়ীটা নিয়ে কয়েকবার দেখিয়েছি গ্যারেজে। তারা আমার গাড়ীটা চেক করেছে, কিন্তু সমাধান হয়নি। আমার টাইমিং বেল্টে সমস্যা ছিল, যা আমার জানা ছিলনা। সহজেই বুঝতে পারছেন, এই ঘটনার নাটেরগুরু হচ্ছি আমি নিজে। সমস্যাযুক্ত গাড়ী নিয়ে, এত দূরের পথ যাওয়া ঠিক হয়নি। এদিকে আমাদের সঙ্গীরা আমাদের জন্য কাজং-এ এসে আপেক্ষা করতে লাগলো দোকানে বসে, বাশারের শরীরে জ্বর তবুও সে বসে থাকবে। কিন্ত আমি বুঝতে পারছিলাম আমাদের দেরী হবে, তাই ফোনে অনেক অনুরোধ করে রাত প্রায় ৫টায় তাদের বাসায় পাঠাতে সক্ষম হলাম। অনেক কষ্ট হল, কিন্তু একটা চমৎকার বিষয়ও প্রকাশ হল এই প্রবাস জীবনে যা এতদিন এত প্রকটভাবে আর কখনও উপভোগ করিনি। তা হচ্ছে উখয়া (Brotherhood)। একটু পরেপরে ফোন আর এক একজনের অনুভুতি আমাকে শুধু অবাক করেনি বরং দিয়েছে মিষ্টি অনুভুতি। হয়তো একদিন মালেয়শীয়াতে থাকবো না। হয়তো একদিন, এক এক জন এক এক জায়গাতে থাকবো, কিন্তু এ অনুভুতি ভুলে যাবার মত নয়। আমার ভাবনায় বিরতী ঘটল যখন গাড়ীর মেকার আমার সাথী আমিনুলকে বলে ওঠলে ‘Now your car OK lah’ । ঘড়ির কাটাতে তখন প্রায় ৫.৩০টা, আমরা আমার গাড়ী নিয়ে যাত্র শুরু করলাম। নীয়ন আলোর ফাঁকে প্রভাতের উদয় উপভোগ করতে করতে আমরা প্রায় ৬টার দিকে বাসায় এসে পৌচ্ছলাম।
Friday, July 16, 2010
জামায়াত নেতাদের গ্রেফতার ও গণমাধ্যমের প্রত্যাশিত ভূমিকা
Thursday, July 15, 2010
আল্লাহ তায়ালা বেকুবদেরকে সাধারণত সাহায্য করেন না, এটা সুন্নাতুল্লাহ/ পার্থিব বিষয়ে আল্লাহর কর্মপদ্ধতি
এটা ন্যুনতম মানবাধিকার। যত বড় অপরাধীই হোক, এটা প্রাপ্য। কিন্তু এমন সময় যদি পুলিশ ঐ ছেলে আর জামাতাদের গ্রেফতার করে, তা কেমন হয়? অভিযোগ কি? আদালত প্রাঙ্গণে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি। বুঝাই যায়।তারপর মামলা, রিমান্ড, জেল। মেসেজটা পরিস্কার, জিরো টলারেন্স। কোন নীতি নৈতিকতা মানবিকতার তোয়াক্কা করি না। এমনকি কোন অজুহাতেরও দরকার নেই, সমূলে উচ্ছেদ করা হবে।
পরদিন আলুকালু পত্রিকায় বক্স করে দুই জন পুত্রধন, সদ্য তরুণ ছাত্রের অসহায় চাহনির ছবি আর হৃদয়বিদারী বর্ণনা। জামাতা বেচারা ভার্সিটির শিক্ষক, তার ছবি ও ঘটনা। শিরোনাম হবে, 'মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি আদালত প্রাঙ্গণে মানবাধিকারকে ধর্ষণ করতে পারলেন?'
ালের কন্ঠ পত্রিকায় ছাপবে গল্প রিপোর্ট, পেছনের ঘটনা, বেচারাদের পড়ালেখার কি ক্ষতি হলো, তাদের ডার্লিং রা কিভাবে বেইলী রোডে কানতেছে সেই আবেগ টসটসে টমেটো বয়ান। পাবলিক পড়ে কানতে কানতে নিউজপ্রিন্ট ভিজায় ফেলবে।
ভন্ডকাল চেষ্টা করবে ব্যাতিক্রমী ষ্টাইলে অন্যদেরকে টেক্কা দেবার। কোন একজনের বউ এর সাক্ষাতকার দিবে। স্বামী যখন রাজনীতিতে ব্যস্ত তখন তিনি কত কষ্ট করে একাকী পুত্রধনকে বড় করেছেন তার কাহানী ঘর্ঘর কি। পোলার রুমের ছবি, দেয়ালে চে গুয়েভারার পোষ্টার লাগানো, একপাশে গিটার আরেকপাশে বই আর বই। হায় জাতি কোথায় গেলো, এমন পোলারে পুলিশ আপসেআপ ধরে টর্চার করতেসে।
গাদ্দার চোদরীর কলাম পরেরদিনই ছাপা হবে জঘন্যকণ্ঠে। হিটলার কিভাবে ভনফরগার্ডের পরিবারের উপর আর ষ্টালিন কিভাবে ট্রটস্কির পরিবারের উপর নির্যাতন করেছিলো তার কাহানী পড়ে পাবলিকের সেইদিন প্রাকৃতিক প্রয়োজন সারার পর অতিরিক্ত পানি লাগবে না। অশ্রু দিয়েই কাজ সেরে ফেলা যাবে।
গতকাল জামায়াত নেতা আবদুল কাদের মোল্লা এবং কামারুজ্জামানের পরিবারের সদস্যদেরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অন্যায় অবিচারের সীমা নেই, দমননীতিই আসল কথা। লীগ সমর্থক বিডিনিউজ২৪ পড়ে জানলাম। দিনকালের কাছে আশা করি না। সংগ্রাম আর নয়াদিগন্ত আঁতি পাঁতি করে খুঁজেও বক্স আইটেম দূরের কথা, নিউজই পেলাম না।
বিডিনিউজের খবর
http://bdnews24.com/bangla/details.php?id=131397&cid=3
মনে পড়লো, রাজনীতিতে ন্যায় অন্যায় আড়াল হয়ে যায় প্রপাগান্ডার আড়ালে। ন্যায়ের পক্ষের লোকদেরও অন্তত মানুষকে জানাতে হয় নিজেদের কথাগুলো, গণমাধ্যমের এটাই গুরুত্ব। আর ভুদাইরা এসেছে রাজনীতিতে, এসেছে পত্রিকা বের করতে। ালের কণ্ঠ আর আলুকালুর হলদে সাংবাদিকদের জুতা বহনের যোগ্যতাও নেই এগুলার। আজ থেকে বাসায় জঘন্যকণ্ঠ রাখলে কেমন হবে ভাবছি, সারভাইভাল ফর দ্য ফিটেষ্ট। মেধা আর যোগ্যতা বাদ দিলে তেলানি তোষামোদী বলদমার্কা আনুগত্য সম্বল করলে এমনই হয়। আল্লাহ নিশ্চয় বেকুবদেরকে সাহায্য করেন না। হে আল্লাহ, আপনি আমাদেরকে বেকুব বানাবেন না অনুগ্রহ করে
Wednesday, July 14, 2010
ইন্টারনেট এবং ব্লগিং এনে দিতে পারে ইসলামী দাওয়াতী কাজের এক অনন্য সুযোগ
ভারতীয় উপমহাদেশে যখন ইংরেজরা এল তখন এ তল্লাটের শিক্ষা দিক্ষার মাধ্যম ইংরেজি হয়ে গেল। তখন আমাদের আমেল ওলামা গন ইংরেজি শিক্ষাকে হারাম ঘোষনা করে মুসলিম উম্মাহ কে সহস্র বছর দূরে ঠেলে দিয়েছিলেন। আর অন্যদিকে জাত কুলহীন হিন্দুরা ইংরেজি শিক্ষাকে মেনে নিয়ে চলে গেল চালকের আসনে। তখনকার ওলামাগন কি জানতেন না যে একজন মুসলিম শিশুর জন্য সর্বোত্তম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটা হল তার মায়ের কোল? তারা হয়তো অসম্ভব কেতাবি জ্ঞানের জ্ঞানী ছিলেন, এবং সুশিক্ষিতও ছিলেন, কিন্তু তারা কতটা স্বশিক্ষিত এবং সুদুর প্রসারি দৃষ্টির অধীকারি ছিলেন তা নিয়ে যথেষ্ঠ সন্দেহ থাকার অবকাশ আছে। তা না হলে মেয়েদের সু শিক্ষিত করার ব্যপারে প্রায় সমগ্র মুসলিম সমাজের যে উদাশীনতা তখন ছিল তার ব্যক্ষা কি দাঁড়াবে? এখানে পরিষ্কার করে বলে রাখা ভালো যে আমি সকল আলেম ওলামাদের কে ঢালাও ভাবে এক কাতারে রাখছি না। ব্যতিক্রম তো অবশ্যই ছিলো কিন্তু ব্যতিক্রম তো সর্বদাই ব্যতিক্রম। সমালোচনার ধাক্কা সামলাতেই তার কার্যকারিতা হারিয়ে যায় বেশ খানেক।
কথায় আছে চোর গেলে বুদ্ধি বাড়ে, আমাদেরও ভালোই বুদ্ধি বেড়েছে, তবে সেটা চোর চলে যাবার পরে, আগে নয়। আমরা এখন ইংরেজি পড়ি, ইংরেজি বলি, ইংরেজিতে শিক্ষিতও হই। শুধু তাই নয় আধুনিক কালের ইসলামিক গবেষনাগুলো আমরা ঐ হারাম ভাষা ইংরেজিতেই করছি। চৌদ্দশত বছর আগে অহির দরজা বন্ধ হয়ে যাবার পরে অহি ছাড়াই কিভাবে ইংরেজি হারাম থেকে হালালে পরিনত হল তা আমার বুঝে আসে না। এবং এই হালালিকরনটা কেন প্রাথমিক পর্যায়েই হলনা তাও আমি বুঝি না। তবে এই ইতিহাস থেকে এটা নিশ্চিত হওয়া যায় যে আমাদের মধ্যে যারা নতুন কে নিজেদের মত করে জয় করে নেয়ার প্রয়োজনটি অনুভব করেন, তারা বড্ড বেশী দেরি করেই তা অনুভব করেন।
এর পর এল টিভি, ঐ বক্সের সামনে দাঁড়ানো যে একসময় মোটেই হালাল ছিলো না তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। এখন নাস্তিক পন্থি মিডিয়ার তুমুল মিথ্যে প্রপাগান্ডার জবাব দিতে আমরা ইসলামিক টিভি চ্যানেল খুলে বসেছি। এভাবে অনেক হারাম এখন হালাল হয়েছে। তবে সেটা এমন নয় যে নিরেট হারাম কে হালালে পরিনত করা হয়েছে। যেটা করা হয়েছে সেটা হল বিভিন্ন নতুন আবিষ্কারকে প্রথমে হারাম বলে দূরে ঠেলে দেয়া হয়েছে, পরে আবার সেই দূরে ঠেলে দেয়া জিনিসটিকে ভালোকাজে ব্যবহারের উপযুক্ত বলে বুঝে উঠার পর গ্রহন করেন নেয়া হয়েছে। কিন্তু এই বুঝে উঠার মাঝখানে সময় নেয়া হয়েছে অনেক অনেক যুগের। সে সময়ের মধ্যে ধংশের তলানিতে পৌছেছে পুরো উম্মত।
বর্তমান সময়ে ইন্টারনেটের ছড়াছড়ি পৃথীবির আনাচে কানাচে। যুবসমাজ অগনিত মুল্যবান সময় নষ্ট করছে এই ইন্টারনেটে। ব্লগিং, গুগলিং, ইউটিউব, টুইটারিং, চ্যাটিং, ফেসবুকিং, ফ্রেন্ডস্টার, হাই ফাইভ, ইমেইল, উইকিপিডিয়া, আপ্লোডিং এবং ডাউন লোডিং এগুলো নিয়েই চলছে কিশোর যুবক এমনকি বৃদ্ধদেরও সারাটা দিন। কেউ কেউ অভিযোগ করেন ছেলে-পেলে শুধুমাত্র বিনোদন করতে ইন্টারনেটে পড়ে থাকায় তাদের নৈতিক মানের অবনতি হচ্ছে। আর তাই ইসলামি আন্দোলনের সাথী ও বন্ধুদের এই সকল বেহুদা কাজ থেকে দূরে থেকে প্রচুর পরিমানে দাওয়াতি কাজ ও কোরান হাদীস অধ্যায়ন করা জরুরী। আমি তাদের সাথে মাত্র চার আনা একমত আর বাকি বারো আনাই অন্যমত।
আমি বরং বলতে চাই আমাদের দাওয়াতি কাজে অংশ গ্রহন কারী দল গুলোর বৃহদাংশের উচিৎ ইন্টার নেটে প্রচুর পরিমানে সময় দিয়ে বাংলাদেশের প্রক্ষাপটে ইসলামি রাজনীতি তথা ইসলামী আন্দোলনের ব্যপারে সুন্দর ও গঠন মুলক তথ্য উপাত্ত ছড়িয়ে দেয়া। কারন যে কেউ যখন এ ব্যপারে গুগলে বা অন্য কোন সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ দেয় তখন বিভিন্ন নেতি বাচক তথ্য উপাত্য এবং মিথ্যা ইনফরমেশন গুলো বেশি আসে। এর কারন হল, বাংলাদেশের বাম পন্থী ও সেকুলার আন্দোলনের কর্মীরা প্রায় কয়েক যুগ ধরে ইন্টারনেটে এসব তথ্যাদি আপ্লোড করে আসছে। আজ এমন সময়ে এই মিথ্যা ইনফরমেশনের পরিমান এত বেশী হয়ে দাড়িয়েছে যে আগামী বিশ বছরও যদি ওরা চুপ করে বসে থাকে আর আমরা যদি বিরামহীন ভাবে ইসলামের ব্যপারে সত্য ইনফরমেশন আপ্লোড করতে থাকি তাতেও তাদের কিঞ্চিৎ পরিমানও কোন সমস্যা হবে না। বরং আমরা এর পরও জোযন জোযন দূরে পড়ে থাকবো।
কিন্তু তাই বলে কি তারা থেমে আছে? না বরং তারা আরও তুমুল গতিতে এগিয়ে চলছে। ইন্টারনেটে বাংলায় যে কয়টা ব্লগ আছে তার নব্বই ভাগ ব্লগই নাস্তিক ও বাম পন্থীদের দ্বারা পরিচালিত। সেসকল ব্লগে যদি কেউ ইসলামি মুল্যবোধ নিয়ে কোন পোস্ট করেন তাহলে মুহুর্তের মধ্যেই মাইনাস রেটিং পড়তে থাকে। অসম্বভ অশ্লীল ভাষায় গালি গালাজ চলতে থাকে। এমনকি তারা মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স) কে পর্যন্ত খারাপ ভাষায় গালী দিয়ে থাকে।
বিভিন্ন ব্লগে যখন কোন লেখক তার লেখা প্রকাশ করেন তখন তিনি তার প্রবন্ধটিকে বিভিন্ন পরিচিত একাধিক কমন নামে ট্যাগ করে থাকেন, (যেমনঃ গনতন্ত্র, বাংলাদেশ, দেশ, ইতিহাস, ৭১, একাত্তর, অর্থনীতি, ধর্ম, ইসলাম, জামায়াত, শিবির, বি এন পি, আলীগ এরকম যেসকল নামে আপনি আমি সাধারনত গুগলে সার্চ দিয়ে থাকি।) ফলে গুগল বা অন্য কোন সার্চ ইঞ্জিনে পৃথিবির যেকোন প্রান্ত থেকে যেকেউ সার্চ দিলেই ঐসব লেখা বা প্রবন্ধ সার্চ রেজাল্টে চলে আসে। এভাবে ট্যাগিং করে করে এতদিনে যিথেষ্ঠ পরিমানে মিথ্যা তথ্য আপ্লোড করা হয়ে গেছে। যেগুলোর বিপরীতে সদুত্তর সমৃদ্ধ কোন তথ্য নেই বললেই চলে।
এইসকল ব্লগে কিছু পরিমানে ইসলাম পন্থী লোকজনও লিখে থাকেন কিন্তু তারা জ্ঞানের দিক থেকে সবাই কাংখিত মানের নন। আবার এদের কে ব্লক বা ব্যান করার জন্য ব্লগের মডারেটর গন সুযোগের অপেক্ষায় থাকেন। কোনও একটি অযুহাত পেলেই তাকে সাথে সাথে ব্যান করা হয়। আর ব্যান করা মানেই এ যাবত কালে তিনি যত পোস্ট করেছেন তা মেইন সোর্স থেকে ডিলিট হয়ে যাওয়া। অপরদিকে অশ্লীল ও ইসলাম বিরোধী কোন পোস্ট বা পোস্ট দাতাকে সাধারনত ব্যান করা হয় না, তবে লোক চোখে ফেয়ার থাকার জন্য কিছু কিছু পদক্ষেপ তারা নিয়ে থাকেন যাতে লোকে তাদেরকে সন্দেহ করতে না পারে। এভাবেই ইন্টারনেট জগত দিনে দিনে আমাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। প্রতিদিন একজ দুই জন নন হাজার হাজার ব্লগার ব্লগ লিখছেন আর ট্যাগ করছেন। প্রতি মিনিটে নতুন নতুন পোস্ট আসছে, লোকজন সেগুলো পড়ছে। তাই এখন আমাদের ইসলাম পন্থিদের নিজেদের প্রচুর পরিমানে পৃথক পৃথক ব্লগীয় প্লাট ফর্ম দরকার। আরও দরকার দাওয়াতের উদ্দেশ্যে বেশী বেশী ইণ্টারনেটে সময় দেয়া।
উইকিপিডিয়া এবং এনসাইকোপিডিয়া এই দুটি হল বিশ্ব বিখ্যাত ওয়েব সাইট যেখানে ইতিহাস, অর্থনিতি, সহ সকল বিষয়ে পর্যাপ্ত পরিমান তথ্য সমৃদ্ধ প্রবন্ধ দেয়া থাকে। পৃথীবির নির্ভর্যোগ্য সাইট গুলোর মধ্যে এ গুলোকে অন্যতম বলে মনে করা হয়। যে কোন ইন্টারনেট ইউজার এগুলো এডিট করতে পারেন এবং নতুন তথ্যের সংযোজন করতে পারেন। তবে অবশ্যই সেটা হতে হবে রেফারেন্স ভিত্তিক। এভাবে সবার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে এক বিশাল তথ্যভান্ডার নিমেশেই তৈরী হয়ে যাচ্ছে। উল্লেখ্য যে পৃথীবির প্রায় সকল ভাষায় এই সাইট গুলো পাওয়া যায়। তাদের বাংলা বিভাগও আছে। কিন্তু তাদের বাংলা বিভাগে যারা কাজ করেন তারা সবাই চরম ভাবে সেক্যুলার ও বাম পন্থী। শুধু তাই নয় ইসলাম পন্থীদের এই সকল কাজে উপস্থিতি সম্পুর্ন শূণ্যের কোঠায়। যার কারনে একপাক্ষিক ভাবে শুধু বাম ও রামদের আদর্শের প্রতিফলনই সেখানে নগ্ন ভাবে ফুটে উঠে। তাই আমাদের উচিৎ বড় অংকের বাজেট নিয়ে ইসলাম পন্থিদেরকে এই সেক্টরে কাজে লাগানো।
আর্বানাইজেশনের এই যুগে তৈরী হচ্ছে বিশাল বিশাল অট্টালিকা। এক একটি অট্টালিকার এক একটি তলায় বাস করছে নিদেন পক্ষে চারটি করে ফ্যামেলি। নিরাপত্তার নামে সে সকল ফ্ল্যাটে প্রবেশ সম্পুর্নই দুরহ। প্রবেশের একমাত্র পথ হল যদি সেই অট্টালিকায় কোন পরিচিত কেউ থাকে। কিন্তু তাতেও লাভ নেই তেমন একটা। এক একটি ফ্ল্যাট যেন এক একটি দ্বীপ। কারও সাথে কারও যোগাযোগ নেই। তাই বাড়ী বাড়ী গিয়ে দরজায় কড়া নেড়ে ইসলামের দাওয়াত দেয়ার সুযোগ দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। লোক সংখ্যার বিচারে এই রকম একটি অট্টালিকা একটি গ্রামের মতন। যার অর্থ হল এরকম হাজার গ্রামে আমরা দাওয়াত নিয়ে যেতে পারছি না। এই সকল ঘরের সন্তানরা খুব একটা বাইরেও বের হয় না। তাদের মায়েরাও ইসলামি শিক্ষায় শিক্ষিত নয় যে সন্তানকে ইসলাম শেখাবে। এ যেন দরজা বন্ধ একটি কারাগারে ওরা বন্ধী। অপরিচিত কেউ ঢোকার সাধ্য নেই। কিন্তু একটি জানালা খোলা আছে আর সেটা হল ইন্টারনেট। এই সকল ফ্যামিলির ছেলে মেয়েরা সারাদিন নেটে পড়ে থাকে। তাদের কাছে পৌছার এই একটাই পথ।
যে কারনে এই লেখার প্রথমেই কবি কাজি নজরুলের ঐতিহাসিক ভাষনের কথা টেনে এনেছিলাম, নতুন আবিষ্কারকে আর দূরে ঠেলে দেয়া নয় নতুনকে আমাদের নিজেদের মত করে জয় করে নেবার এখনই সময়। সামনে নতুন যা ই আসুক, প্রত্যাখ্যান নয় বরং জয় করে নেয়াই হোক আমাদের ব্রত। ইন্টারনেটের মাধ্যমে ওরা আমাদের চরিত্র ধংশের কাজ করছে। ওরা সফল হচ্ছে কারন আমরা বসে আছি। আমাদের উচিৎ ইন্টারনেটের মাধ্যমে মানুষকে ইসলামের দিকে আহবান করা তাইলেই কেবল ওদের সফলতার গতীতে বাধ দেয়া সম্ভব হবে।




