ধরা যাক, বিম্পি-জামাত সরকার ক্ষমতায়। চরম ফ্যাসিবাদী গ্রেফতার চলছে। মনে করলাম, তোফায়েল আর নাসিম গ্রেফতার হলেন। গ্রেফতারের পর উনাদেরকে যখন আদালতে আনা হলো শুনানির জন্য। দুজনেই বয়স্ক, ডায়াবেটিস এবং অন্যান্য বার্ধক্যজনিত রোগের নিয়মিত ঔষধ খেতে হয়। ঔষধগুলো দিতে আদালতে গেলেন তোফায়েল আর নাসিমের ছেলে এবং জামাতারা।
এটা ন্যুনতম মানবাধিকার। যত বড় অপরাধীই হোক, এটা প্রাপ্য। কিন্তু এমন সময় যদি পুলিশ ঐ ছেলে আর জামাতাদের গ্রেফতার করে, তা কেমন হয়? অভিযোগ কি? আদালত প্রাঙ্গণে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি। বুঝাই যায়।তারপর মামলা, রিমান্ড, জেল। মেসেজটা পরিস্কার, জিরো টলারেন্স। কোন নীতি নৈতিকতা মানবিকতার তোয়াক্কা করি না। এমনকি কোন অজুহাতেরও দরকার নেই, সমূলে উচ্ছেদ করা হবে।
পরদিন আলুকালু পত্রিকায় বক্স করে দুই জন পুত্রধন, সদ্য তরুণ ছাত্রের অসহায় চাহনির ছবি আর হৃদয়বিদারী বর্ণনা। জামাতা বেচারা ভার্সিটির শিক্ষক, তার ছবি ও ঘটনা। শিরোনাম হবে, 'মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি আদালত প্রাঙ্গণে মানবাধিকারকে ধর্ষণ করতে পারলেন?'
ালের কন্ঠ পত্রিকায় ছাপবে গল্প রিপোর্ট, পেছনের ঘটনা, বেচারাদের পড়ালেখার কি ক্ষতি হলো, তাদের ডার্লিং রা কিভাবে বেইলী রোডে কানতেছে সেই আবেগ টসটসে টমেটো বয়ান। পাবলিক পড়ে কানতে কানতে নিউজপ্রিন্ট ভিজায় ফেলবে।
ভন্ডকাল চেষ্টা করবে ব্যাতিক্রমী ষ্টাইলে অন্যদেরকে টেক্কা দেবার। কোন একজনের বউ এর সাক্ষাতকার দিবে। স্বামী যখন রাজনীতিতে ব্যস্ত তখন তিনি কত কষ্ট করে একাকী পুত্রধনকে বড় করেছেন তার কাহানী ঘর্ঘর কি। পোলার রুমের ছবি, দেয়ালে চে গুয়েভারার পোষ্টার লাগানো, একপাশে গিটার আরেকপাশে বই আর বই। হায় জাতি কোথায় গেলো, এমন পোলারে পুলিশ আপসেআপ ধরে টর্চার করতেসে।
গাদ্দার চোদরীর কলাম পরেরদিনই ছাপা হবে জঘন্যকণ্ঠে। হিটলার কিভাবে ভনফরগার্ডের পরিবারের উপর আর ষ্টালিন কিভাবে ট্রটস্কির পরিবারের উপর নির্যাতন করেছিলো তার কাহানী পড়ে পাবলিকের সেইদিন প্রাকৃতিক প্রয়োজন সারার পর অতিরিক্ত পানি লাগবে না। অশ্রু দিয়েই কাজ সেরে ফেলা যাবে।
গতকাল জামায়াত নেতা আবদুল কাদের মোল্লা এবং কামারুজ্জামানের পরিবারের সদস্যদেরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অন্যায় অবিচারের সীমা নেই, দমননীতিই আসল কথা। লীগ সমর্থক বিডিনিউজ২৪ পড়ে জানলাম। দিনকালের কাছে আশা করি না। সংগ্রাম আর নয়াদিগন্ত আঁতি পাঁতি করে খুঁজেও বক্স আইটেম দূরের কথা, নিউজই পেলাম না।
বিডিনিউজের খবর
http://bdnews24.com/bangla/details.php?id=131397&cid=3
মনে পড়লো, রাজনীতিতে ন্যায় অন্যায় আড়াল হয়ে যায় প্রপাগান্ডার আড়ালে। ন্যায়ের পক্ষের লোকদেরও অন্তত মানুষকে জানাতে হয় নিজেদের কথাগুলো, গণমাধ্যমের এটাই গুরুত্ব। আর ভুদাইরা এসেছে রাজনীতিতে, এসেছে পত্রিকা বের করতে। ালের কণ্ঠ আর আলুকালুর হলদে সাংবাদিকদের জুতা বহনের যোগ্যতাও নেই এগুলার। আজ থেকে বাসায় জঘন্যকণ্ঠ রাখলে কেমন হবে ভাবছি, সারভাইভাল ফর দ্য ফিটেষ্ট। মেধা আর যোগ্যতা বাদ দিলে তেলানি তোষামোদী বলদমার্কা আনুগত্য সম্বল করলে এমনই হয়। আল্লাহ নিশ্চয় বেকুবদেরকে সাহায্য করেন না। হে আল্লাহ, আপনি আমাদেরকে বেকুব বানাবেন না অনুগ্রহ করে
এটা ন্যুনতম মানবাধিকার। যত বড় অপরাধীই হোক, এটা প্রাপ্য। কিন্তু এমন সময় যদি পুলিশ ঐ ছেলে আর জামাতাদের গ্রেফতার করে, তা কেমন হয়? অভিযোগ কি? আদালত প্রাঙ্গণে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি। বুঝাই যায়।তারপর মামলা, রিমান্ড, জেল। মেসেজটা পরিস্কার, জিরো টলারেন্স। কোন নীতি নৈতিকতা মানবিকতার তোয়াক্কা করি না। এমনকি কোন অজুহাতেরও দরকার নেই, সমূলে উচ্ছেদ করা হবে।
পরদিন আলুকালু পত্রিকায় বক্স করে দুই জন পুত্রধন, সদ্য তরুণ ছাত্রের অসহায় চাহনির ছবি আর হৃদয়বিদারী বর্ণনা। জামাতা বেচারা ভার্সিটির শিক্ষক, তার ছবি ও ঘটনা। শিরোনাম হবে, 'মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি আদালত প্রাঙ্গণে মানবাধিকারকে ধর্ষণ করতে পারলেন?'
ালের কন্ঠ পত্রিকায় ছাপবে গল্প রিপোর্ট, পেছনের ঘটনা, বেচারাদের পড়ালেখার কি ক্ষতি হলো, তাদের ডার্লিং রা কিভাবে বেইলী রোডে কানতেছে সেই আবেগ টসটসে টমেটো বয়ান। পাবলিক পড়ে কানতে কানতে নিউজপ্রিন্ট ভিজায় ফেলবে।
ভন্ডকাল চেষ্টা করবে ব্যাতিক্রমী ষ্টাইলে অন্যদেরকে টেক্কা দেবার। কোন একজনের বউ এর সাক্ষাতকার দিবে। স্বামী যখন রাজনীতিতে ব্যস্ত তখন তিনি কত কষ্ট করে একাকী পুত্রধনকে বড় করেছেন তার কাহানী ঘর্ঘর কি। পোলার রুমের ছবি, দেয়ালে চে গুয়েভারার পোষ্টার লাগানো, একপাশে গিটার আরেকপাশে বই আর বই। হায় জাতি কোথায় গেলো, এমন পোলারে পুলিশ আপসেআপ ধরে টর্চার করতেসে।
গাদ্দার চোদরীর কলাম পরেরদিনই ছাপা হবে জঘন্যকণ্ঠে। হিটলার কিভাবে ভনফরগার্ডের পরিবারের উপর আর ষ্টালিন কিভাবে ট্রটস্কির পরিবারের উপর নির্যাতন করেছিলো তার কাহানী পড়ে পাবলিকের সেইদিন প্রাকৃতিক প্রয়োজন সারার পর অতিরিক্ত পানি লাগবে না। অশ্রু দিয়েই কাজ সেরে ফেলা যাবে।
গতকাল জামায়াত নেতা আবদুল কাদের মোল্লা এবং কামারুজ্জামানের পরিবারের সদস্যদেরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অন্যায় অবিচারের সীমা নেই, দমননীতিই আসল কথা। লীগ সমর্থক বিডিনিউজ২৪ পড়ে জানলাম। দিনকালের কাছে আশা করি না। সংগ্রাম আর নয়াদিগন্ত আঁতি পাঁতি করে খুঁজেও বক্স আইটেম দূরের কথা, নিউজই পেলাম না।
বিডিনিউজের খবর
http://bdnews24.com/bangla/details.php?id=131397&cid=3
মনে পড়লো, রাজনীতিতে ন্যায় অন্যায় আড়াল হয়ে যায় প্রপাগান্ডার আড়ালে। ন্যায়ের পক্ষের লোকদেরও অন্তত মানুষকে জানাতে হয় নিজেদের কথাগুলো, গণমাধ্যমের এটাই গুরুত্ব। আর ভুদাইরা এসেছে রাজনীতিতে, এসেছে পত্রিকা বের করতে। ালের কণ্ঠ আর আলুকালুর হলদে সাংবাদিকদের জুতা বহনের যোগ্যতাও নেই এগুলার। আজ থেকে বাসায় জঘন্যকণ্ঠ রাখলে কেমন হবে ভাবছি, সারভাইভাল ফর দ্য ফিটেষ্ট। মেধা আর যোগ্যতা বাদ দিলে তেলানি তোষামোদী বলদমার্কা আনুগত্য সম্বল করলে এমনই হয়। আল্লাহ নিশ্চয় বেকুবদেরকে সাহায্য করেন না। হে আল্লাহ, আপনি আমাদেরকে বেকুব বানাবেন না অনুগ্রহ করে
No comments:
Post a Comment