ছাত্রলীগের অনিয়ন্ত্রিত কার্যক্রমে ক্ষুব্ধ হয়েছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষ ও হতাহতের ঘটনায় সরকাররের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করায় ক্ষোভ জানিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিতে গতকাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এডভোকেট সাহারা খাতুনকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে কী ব্যবস্থা নেয়া যায়, সে বিষয়ে আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের সঙ্গে গতকাল প্রধানমন্ত্রী কথা বলেছেন। আজকালের মধ্যে আ’লীগের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগের নতুন কমিটি গঠন বা সব কার্যক্রম স্থগিত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এদিকে সৈয়দ আশরাফ গতকাল ব্যাংকক থেকে দেশে ফিরে আ’লীগের কয়েকজন শীর্ষ নেতার সঙ্গেও ওই বিষয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ওরা এসব কী করছে, তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী গত সোমবার রাতেই বিভিন্ন বেসরকারি টিভি চ্যানেলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সংঘর্ষের ঘটনার সংবাদ দেখে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন ও কঠোর ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন। তিনি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্রলীগের নামে ছাত্রশিবির বা ছাত্রদল যাতে কোন ধরনের সহিংস ঘটনা না ঘটাতে পারে সে বিষয়ে সতর্ক থাকারও নির্দেশনা দেন। জামায়ত নেতাদের আটক করায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অস্থিতিশীলতার সৃষ্টি হওয়ার আশংকা রয়েছে।
স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট শামসুল হক টুকু বলেছেন, শিক্ষাঙ্গণে অস্থিরতা সৃষ্টির মাধ্যমে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে একটি মহল নানারকম ষড়যন্ত্র করছে। সহিংসতা সৃষ্টির জন্য অনেকে নানাভাবে অর্থ সরবরাহ করছেও বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, প্রশাসনকে সজাগ থেকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। শিক্ষাঙ্গনে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
ছাত্রলীগের সংঘর্ষের ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. আআমস আরেফিন সিদ্দিকসহ শিক্ষকদের আট সদস্যের প্রতিনিধিদল গত ১৬ জুন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের বলেছেন একটি মহল ঢাবিসহ বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অস্থিতিশীল করে তোলার পরিকল্পনা করেছে। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, শিক্ষাঙ্গনে ছাত্র বা সংগঠনের পরিচয়ে যারাই শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নেয়ার পাশাপাশি জড়িতদের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে তুলে দিতে হবে।
এটি প্রধানমন্ত্রীর সন্তান্দের জন্য ভালো খবর, আমাদের জন্য নয়। কারন, প্রধানমন্ত্রীর এই কথাই ইংগিত দেয় যে, ছেলেরা আমার যত পারো মারামারি করো তাতে অন্যকে এর জন্য দায়ী করতে সহজ হবে। অতীতে এর অনেক প্রমান আছে।
ReplyDeleteখবরে এসেছে যে ছাত্রলীগের অনিয়ন্ত্রিত কার্যক্রমে ক্ষুব্ধ হয়েছেন আমাদের ম্যাঠাম, যেটা আসলে জনগনের সামনে বলাটা ঠিক হল না। সব কথা কি সবার কাছে বলা ঠিক? ভাগ্যিস, ‘সর্বহারা’ বলে নি যে এই খবর শুনে আমাদের ম্যাঠাম মনের জ্বালা মেটাতে সস্তা লাল পানি (!) খেয়েছেন আর তাতে উনার ‘ডাইরেক্ট লাইন’ হয়ে গিয়েছে! (যদিও ঘটনা সত্য!)
ReplyDeleteএই ‘সর্বহারা’, তুই কিডা রে?